খুলনা ফুলতলা পায়গ্রাম কসবায় প্রতারকের মিথ্যা মামলা দিয়ে ব্ল্যাকমেইল,
রফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার,
দীর্ঘদিন যাবত স্বৈরাচারী সরকারের পালিত, প্রতারক সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজুর ভয়ংকর সব অপরাধের সন্ধান, প্রতিবাদকারী গ্রামে, অদ্য শতাধিক মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে করেছেন হয়রানি, বাঁধ পড়েননি জাতীয় প্রতিকার সাংবাদিক ও, গ্রামে একাধিক নিরীহ মানুষ, ২০৯ সাল থেকে গড়ে তোলেন অপরাধের পুনরাবৃত্তি, চুরি দিয়ে শুরু জীবনী, জাল টাকার কারবার শিশু পাচার, মাদক পাচার,চোর সিন্ডিকেট, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা, একাধিক মেয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করানো, ধর্ষণ, ভন্ড কবিরাজি, রাত ১২ টা পর জ্বীনের বাদশা, এভাবেই তার একাধিক সিন্ডিকেট তৈরি করা, প্রকাশ্য বলতে শোনা যায় মাশয়ারা দিয়ে ব্যবসা করি, উচ্চস্বরে বলে কোন নেতা আমার টাকা খাই নায়,আমার সামনে এসে বলুক, প্রশাসন আমার কি করবে মাশহারা দিয়ে ব্যবসা করি, একাধিক মামলার আসামি, একাধিক সিন্ডিকেটের গডফাদার, সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু,পিতা সৈয়দ আমজাদ হোসেন, বর্তমানে একাধিক সদস্য নিয়ে বাড়িতে গড়ে তুলেছেন অপরাধের রাজত্ব, অল্প কিছুদিনের ভিতর গ্রেফতার হয়েছেন পরিবারের একাধিক প্রতারক সদস্য, স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, ঠাকুরগাঁও,ছেলে সৈয়দ ইয়াছিন আরাফাত, যশোর অভয়নগর ডিবি, সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, মুজিবনগর, বেশিদিন কারাবাস করতে হয় না তার, কিছু অসাধু লোক তার সাপোর্টে থাকেন, সবকিছু ম্যানেজমেন্ট করে তাদেরকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন,প্রকাশ্য তার অপরাধ চলমান রেখেছেন, তার অপরাধের প্রতিবাদ করলেন, তাকেই মিথ্যা মামলা দিয়ে, হয়রানি করেছেন,সৈয়দ আলীম হোসেন, মিলন শেখ ও তার পরিবারকে, সৈয়দ ইয়ার আলী হোসেন, তার পরিবারকে, কাজি বিটু,সৈয়দ সাগর, সৈয়দ ইবাদুল হোসেন, শেখ ফয়সাল হোসেন, মিতু মির ও তার পরিবারকে, জাতীয় মানবাধিকার সাংবাদিক শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু সহ তাঁর পরিবারকে, যখনই প্রতিবাদের দুর্গ গড়ে ওঠে, তখনই কিছু দুষকৃতকারী,সহযোগিতায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে থাকেন, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ, অতি দ্রুত ভয়ংকর প্রতারককে ও সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবী সাংবাদিক মহল ও গ্রামবাসীর,