1. : lf_WGxRCiZGCvcR :
  2. live@www.dainikdeshernews.com : দৈনিক দেশের খবর : দৈনিক দেশের খবর দৈনিক দেশের খবর
  3. info@www.dainikdeshernews.com : দৈনিক দেশের খবর। :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলতলা উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। সারাদেশে চলমান মিথ্যা প্রোপাগান্ডার এবারের টার্গেট বগুড়া শেরপুর থানায় সদ্য যোগদানকৃত, ওসি মইনুদ্দিন।  খুলনা আড়ংঘাটা থানা পুলিশ নতুন রেলস্টেশনের পাশ থেকে ইমন ( ২১) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার। ১২ আগস্ট দিনাজপুর জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আনোয়ারায় ‘সিইআইজেড’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনায় আধুনিক জিয়া হল নির্মাণসহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন। দৈনিক দেশের নিউজ। অনলাইন সহ ই পেপার পএিকা নিউজ সহ দেশের নিউজ টিভি বাংলা চ্যানেল অনলাইন। রাণীশংকৈলে পানির গর্তে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মর্মান্তিক প্রতারক আহসান হাবিব এর পুরো ফ্যামিলি টাই যেন অপরাধ এর তুলিতে আকা একটি ক্রাইম মানচিত্র।

শিরোমণি থেকে ফুলতলা যুদ্ধে পাকবাহিনীর মিনি ক্যান্টনমেন্ট ধ্বংস হয়,

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

শিরোমণি থেকে ফুলতলা যুদ্ধে পাকবাহিনীর মিনি ক্যান্টনমেন্ট ধ্বংস হয়,
নিউজ.দৈনিক দেশের নিঊজ/

বিশেষ প্রতিনিধ, শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু,

স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৩ ডিসেম্বর হইতে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিরোমণিতে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী খুলনা জেলার ফুলতলা থানাধীন শিরোমনি, গিলাতল,বাদামতলা, ম্যামগঞ্জ ও মশিয়ালী এলাকাকে শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করে,

এবং মিনি ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে ভারী অস্ত্রসহ অবস্থান নেয়,শিরোমণি টি এন্ড টি ভবন ইউনিয়ন কোল্ড স্টোর এবং বাদামতলার নশুখানের ইট ভাটায়,টাওয়ার ও ব্যাংকার নির্মাণ করত অবস্থান গ্রহণ করে, যাহার প্রেক্ষিতে অত্র এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়ে,

১২ ডিসেম্বর, ১৯৭১ মিত্র বাহিনী রাজপুত্র ডিভিশন কলারোয়া হয়ে যখন খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয় তখন, তাদের পথ প্রদর্শক হিসেবে মুক্তি বাহিনীর শম রেজওয়ান আলি, শেখ আনসার আলী, শেখ আব্দুল গনি, শেখ আব্দুল কুদ্দুস, এবং অনন্যরা সঙ্গে থাকেন, একই দিনে ফুলতলার ২৪ মাইল নামক স্থানে অন্যান্য ডিভিশনরর সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি ক্যাম্প স্থাপন করে, ১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ কাজী তাবারক হোসেন( তাবু কাজী) এর নেতৃত্বে কাজী ফরহাদ হোসেন, খোকন কাজী, কাজী জমির উদ্দিন, কাজী আশরাফ হোসেন, এস এ রাজ্জাক, ও এম এ মান্নানসহ মুক্তি বাহিনীর ১৬ টি গাড়ি খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হলে শিরোমণি পৌঁছানো মাত্রই পূর্বে থেকে উৎপেতে থাকা হানাদার বাহিনী ভারী অস্ত্রসহ চতুর্মুখী আক্রমণ শুরু করে,
যাহার প্রেক্ষিতে মিত্র বাহিনীর ১৫ টি গাড়ি অস্ত্র –গোলাবারুদ ধ্বংস হয়ে যায়, একমাত্র মহেন্দ্র সিং–এর গাড়িটি ক্যাম্পে ফিরে যায়, পরক্ষণেই হানাদার বাহিনীদের আক্রমণের লক্ষ্যে মিএ বাহিনী ও মুক্তি বাহিনী শিরোমণির চতুর্পাশে অবস্থান গ্রহণ করে এবং লক্ষ্য বস্তুর উপর কামান ও মাটারের সাহায্যে প্রচন্ড আঘাত হানে এর ফলে পাক বাহিনীর নির্মিত মিনি ক্যান্টনমেন্ট ধ্বংস হয়ে যায়, এবং মানসিকভাবে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে,

১৬ ডিসেম্বরের, মধ্যে বাংলাদেশের অন্যান্যা এলাকা শত্রুমুক্ত হলেও শিরোমণিতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকে,

মুক্তিবাহিনী ও মিএ বাহিনীর সদস্যগণ বিলডাকাতিয়া ভৈরব নদীর পূর্ব পাড়, দক্ষিণে খুলনা শহর হতে এবং ফুলতলা এলাকা হতে চতুর্মুখী আক্রমণের পড়ও তারা আত্মসমর্পণ করেনি, তখন অন্যান্যা স্থান হতে মুক্তি বাহিনী এবং মিএ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে যখন যুদ্ধ প্রস্তুতি চলছিল সেই মুহূর্তে পাক হানাদার বাহিনী তাদের মৃত্যু নিশ্চিত জানতে পারে এবং দেশের অন্যান্যা এলাকার আত্মসমর্পণের খবর পেয়ে ১৭ ডিসেম্বর তারা অস্ত্র ফেলে দিয়ে মিএ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করে এবং আক্রোশে কিছুক্ষণ হাতাহাতি লড়াই হয়, পরবর্তীতে তাদের একত্রিত করে খুলনা সার্কিট হাউজে বন্দী অবস্থায় প্রেরণ করা হয়,

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট