
খুলনা জেলায় রঙিন ফুলকপির চাষে নতুন স্বপ্ন কৃষকের।
নিউজ-শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু, বিশেষ প্রতিনিধি।
নিউজ -দৈনিক দেশের নিউজ।
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকরা ফুলকপি বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন, চলতি মৌসুমে হলুদ ফুলকপির বাম্পার ফলন তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে,
স্থানীয় কৃষকদের মতে, অনুকূলে আবহাওয়া সময়মত বীজ বপন এবং সুষম সার ব্যবহারের ফলে ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে, বিশেষ করে হলুদ জাতের ফুলকপি ভালো ফলন হয়েছে,
কম উৎপাদন খরচ এবং বেশি লাভের কারণে ফুলকপি চাষ এই এলাকায় ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, উৎপাদিত হলুদ ফুলকপি স্থানীয় চাহিদা পূরণ করেছে এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে, কৃষকরা জানান, তারা ভালো বাজার মূল্য পাচ্ছেন, যা তাদের আত্মবিশ্বাস আরো ও বাড়িয়ে দিয়েছে,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এ মৌসুমী আবহাওয়াজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও উপজেলার খর্নিয়া এলাকার আদর্শ কৃষক আবু হানিফ মোড়ল ৩৩ শতক জমিতে হলুদ ফুলকপি চাষ করে প্রায় ১ লাখ টাকা লাভ করেছেন, এছাড়াও তিনি শীতকালীন বিভিন্ন সজবি চাযে ও নিয়োজিত রয়েছেন,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মৌসুমে ডুমুরিয়া প্রায় এক হেক্টর জমিতে হলুদ ফুলকপি চাষ হয়েছে, অনুকূল পরিবেশ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে ভালো ফলন অর্জিত হয়েছে,
উপজেলার কৃষকরা বলেছেন, এ বছর প্রাকৃতিক প্রতিকুলতার মধ্যে ও শীতকালীন সবজি, বিশেষ করে হলুদ ফুলকপি থেকে লাভ তাদের আরো ও বেশি করে এ ধরনের চাষে উৎসাহিত করেছে,
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো, নাজমুল হুদা বলেন, এ মৌসুমী ডুমুরিয়ায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি,
তিনি বলেন, আগের বছরের তুলনায় এবার ফুলকপির উৎপাদন অনেক বেশি, আর হলুদ ফুলকপির ভালো ফলন কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে,
কৃষক আবু হানিফ মোড়ল বলেন, রঙ্গিন ফুলকপি বিশেষ করে হলুদ বা কমলা জাত বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন ও লাভজনক ফসল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে,
তিনি উল্লেখ করে বলেন, এ জাত, যা প্রায় ক্যারোটিনা ইয়েলো নামে পরিচিত, এটি প্রচলিত সাদা ফুলকপির তুলনায় বেশি বিটা – ক্যারোটিন ধারণ করে এবং বাজারে চাহিদা ও বেশি, ফলে কৃষকরা স্বল্প সময়ে ভালো লাভবান হচ্ছেন,
এছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের কৃষক রাও রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করেছেন, খুলনার বিভিন্ন এলাকায় বেগুনি, হলুদ এবং ব্রোকলি, জাতের ফুলকপি চাষ হয়েছে,