চিহ্নিত একটি অপশক্তির মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকার হচ্ছে অসহায় অনেক পুলিশ সদস্য।
( নেপথ্যে : রাজনৈতিক ফায়দা, পুলিশের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং সাংবাদিক নামধারী কিছু " হলুদ সাংবাদিকতা" দায়ী)
ঢাকা থেকে পাঠানো দেশ টিভির সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব হাসানের প্রতিবেদনে ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : চিহ্নিত একটি অপশক্তির সিন্ডিকেট নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ এর বিরুদ্ধে। যা রীতিমত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি স্বরুপ। তেমনি একটি দূ:খজনক ঘটনা সামনে এসেছে। বগুড়া নন্দীগ্রাম থানার এসআই সামাদ এর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত এবং মেডিকুলাস ডিজাইনে সাজানো একটি কলরেকর্ড যা মুলত ওই পুলিশ কর্মকর্তা সামাদের ইমেজকে এবং পুলিশের ভাবমুর্তি ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। অনুসন্ধানে জানা যায় যে মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এসআই সামাদ কে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে অথচ সেই মামলার আয়ু বা তদন্ত কর্মকর্তা হলো এসআই ফিরোজ। অথচ মনমানসিকতার দিক থেকে এসআই সামাদ অত্যন্ত সাদা মনের একজন মানুষ। আরও জানা যায় প্রশাসন সংক্রান্ত এ ধরনের নিউজ আপলোড হওয়ার সাথে সাথেই " হলুদ সাংবাদিক " নামেন একটি মহল সক্রিয় হয়ে ওঠে ওই ভিকটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেদক মাহবুব হাসান এ মামলার বাদীর সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছে যে পুলিশ কে কোন টাকা দেয়া হয়নি, টাকা নিয়েছিল পুলিশের নাম ভাঙিয়ে স্থানীয় একজন রাজনৈতিক নেতা। অথচ প্রকৃত সত্য অনেক সময়ই অন্ধকারে থেকে যায়। আজ হয়ত এই প্রতিবেদক এর প্রকৃত তথ্যে একজন এসআই সামাদ কে দায়মুক্তি দেয়া যাচ্ছে কিন্তু প্রতিদিন সামাদের মত শতশত পুলিশ কর্মকর্তা কোন না কোনভাবে কোথাও না কোথাও শিকার হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা বা মিথ্যা ট্রলের। কেউ হয়তো মিথ্যা অপবাদ নিয়ে হচ্ছে প্রত্যাহার আবার কেউ হয়তো নীরবে ফেলছে চোখের জল।যাদের নীরব আর্তনাদ থেকে কখনোই মুক্ত হতে পারবেনা জাতি।তাই এই অপসংস্কৃতি থেকে বের হতে দরকার প্রশাসন এবং মিডিয়ার মধ্যে সামন্জস্যতা।