
বিনিয়োগের নামে সর্বস্ব হারিয়ে, উল্টো প্রতারকচক্রের “মিথ্যা মামলার নির্মমতা” এবং প্রশাসনের ” মামলা বাণিজ্যের” নৃশংসতার শিকার এক অসহায়ের গল্প!!!
(নেপথ্যে : আহসান হাবিব এবং অদৃশ্য এক সামরিক কর্মকর্তার মাফিয়া সিন্ডিকেট)
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসান স্বাধীন এর তথ্য প্রতিবেদনে দেখুন ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : যুগের বিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তনের ধারাও অব্যহত রেখেছে অর্থলোভী প্রতারকচক্র। এরই ধারাবাহিকতায় এবার উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকায় এক ভয়ঙ্কর ” সততার লেবাস পড়া এক প্রকৃত অসৎ প্রতারনার নির্মম ট্র্যাজেডি
ব্যবসায় বৈধ বিনিয়োগ বাবদ, ভুক্তভোগী শারমিনের ৭৩ লাখ টাকা এবং আরেক ভুক্তভোগী মাহবুবুর রহমান রুমেল এর ৬৬ লাখ টাকা সহ আরও ৯ জন ব্যাক্তির থেকে সরলতা ও বিশ্বাসের সুযোগে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা। শুধু টাকা নিয়েই পিপাসা মিটেনি উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে জেলখেটে বের হতে হয়েছে রুমেল, শারমিন, বাস্তবতা চেয়ে দেখেছে নির্লজ্জতার নির্মম নৃত্য আর স্মরনকালের এই প্রতারনার নাট্যমন্চে যাত্রাপালার অট্টহাসির ভয়ানক শব্দ শোনা গেছে ” প্রশাসন নামক পল্লবী থানার এসআই সোহেল এর আগ্রাসনের বাদ্যযন্ত্রে।
যেখানে জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে ভুক্তভোগী রা ঠিকমত একজন অফিসারই পায়না সেবার জন্য, সেখানে পর্দার আড়ালে থেকে নাটের গুরু কোন এক সামরিক কর্মকর্তার আশীর্বাদপুস্ট প্রতারক আহসান হাবিব এর জরুরি সেবা ৯৯৯ এ পূর্বপরিকল্পিত সাজানো আর্তনাদে ” রাবনের লংকাপুরী পল্লবী থানা থেকে এসআই সোহেল, এসআই প্রিয়তুস সহ একাধিক এসআই বহরের বরযাত্রা। মিরপুরবাসী সেদিন দেখেছে শারমিন রুমেল এর সাথে কত সুন্দর নিখুঁতভাবে চালানো হয়েছিল আহসান হাবীব এর টাকার তেলে চালিত পল্লবী থানার নির্লজ্জতার বুলডোজার।
অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাহবুব হাসান কিংবা যুগান্তর, ৭১ এর মত সাহসী সাংবাদিকের প্রচেষ্টায় আজ হয়ত শারমিন রুমেল এর বুকফাটা আর্তনাদ কিছুটা বাইরের মানুষ শুনতে পেরেছে, কিন্তু এখনো প্রতিদিন আহসান হাবীব এর মত প্রতারকচক্রের হিংস্র থাবায় কোথাও না কোথাও হাজারো শারমিন কিংবা রুমেল এর মত ভুক্তভোগীদের চোখের জল টুকু দেখারও কেউ নেই, তাদের নীরবে ঝরে পড়া চোখের জল যত পড়বে, ততই পল্লবী থানার এসআই সোহেল দের টাকার রেটও তত বাড়তে থাকবে আহসানদের মত প্রতারকচক্রের কাছে।
মাহবুব হাসান স্বাধীন এর দুই পর্বের প্রতিবেদন এর পরবর্তী পর্ব দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন।