সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট সারাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা। এবার তার অংশ হিসেবে যোগ হয়েছে পূর্বপরিকল্পিত ও সাজানো কল রেকর্ড এর ফাদে ফেলে পুলিশের ভাবমুর্তি নস্ট করা। আর নতুন এই মেডিকুলাস ডিজাইনের এবারের শিকার সিলেট কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই পিযুষ দেবনাথ।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসানের তথ্যে দেখুন ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : চিহ্নিত একটি সিন্ডিকেট তাদের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও দেশের স্বার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে সারাদেশে সুস্পষ্ট পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে চালাচ্ছে চরম মিথ্যার প্রোপাগান্ডা। তাদের এই পরিকল্পনায় ইদানীং নতুনকরে যোগ হয়েছে মাস্টারপ্ল্যানে সাজানো পরিকল্পিত " অডিও কল রেকর্ড " এর ফাদ। যা রীতিমত মহামারী আকার ধারন করেছে। তেমনি একটি পরিকল্পিত অডিও রেকর্ড এর শিকার হয়েছে ভুক্তভোগী কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই পিযুষ দেবনাথ। অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসান স্বাধীন সুস্পষ্ট পর্যালোচনা করে দেখেছেন ঘটনার কিছু সময় পূর্বে উক্ত ব্যাক্তি ( যার গাড়ি) সে নিজেই এসআই পিযুষ দেবনাথ এর সাথে মামলার বিষয়ে কথোপকথন হয়, এ সংক্রান্ত কেইসে কেমন খরচ পড়ে বা কিভাবে সহজভাবে গাড়ি ফেরত পাওয়া যায়, অথচ সেই ব্যাক্তিই কিছুক্ষণ পর, গাড়ীর মামলার কাস্টমস ঝামেলায় থাকতে পারবেনা, এরকম নানা অজুহাতে উক্ত এসআই কে খরচপাতি দিয়ে ঝামেলা শেষ করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সম্পুর্ন কলটি কাটছাঁট করে বিশেষ সংবেদনশীল বাক্যগুলো অডিও রেকর্ড এ তুলে ধরা হয়েছে। যা খুবই দূ:খজনক।
পাশাপাশি এই প্রতিবেদক এই তথ্যও পেয়েছে, সারাদেশেই কমবেশি দূর্নীতি প্রায় সবখাতেই চলমান, অথচ প্রায় প্রতিদিনই গড়ে কমপক্ষে ১০ টিরও বেশি অডিও কল ফাস করা হচ্ছে শুধু পুলিশের বিরুদ্ধেই। এমতাবস্থায়, দেশের গোয়েন্দা সংস্থা গুলোকে আরও অধিকমাত্রায় নজরদারীর পাশাপাশি এই," প্রোপাগান্ডা সিন্ডিকেট " এর মুল হোতাদের খুজে বের,করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। অন্যথায় রাষ্ট্রের এই গুরুতপুর্ন বাহিনী তথা পুলিশ বাহিনী কে যদি সবসময়ই বলির পাঠা হিসেবে বা কেবলমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্যই অপব্যবহার করা হয় তবে তা হবে দেশের অভ্যন্তরের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরুপ। পাশাপাশি পুলিশের অবকাঠামো সংস্কারের জন্যও অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে।
কারন প্রতিষ্ঠা কিংবা জন্মের পর থেকেই এই বাহিনী টিকে বিগত প্রতিটি সরকারই কেবলমাত্র সিংহাসন রক্ষা এবং তাদের লাঠিয়াল বাহিনীর মত ব্যবহার করে এসেছে, কিন্তু কোন সরকারই কার্যত কোন সক্রিয় ভূমিকা নেয়নি পুলিশের অবকাঠামো উন্নয়নে। যেখানে একটি মামলার তদন্তের জন্য পুলিশের নেই কোন সোর্স মানি, সকল প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়মত চললেও পুলিশের নেই কোন ডিউটির সীমাবদ্ধতা, প্রায় সময়ই আনলিমিটেড ডিউটি, মাদক মামলার আসামি ধরলেও অনেক সময় হয়তো মাদক ব্যবসায়ী দের নয়তো কোন না কোন রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থ রক্ষায় উল্টো পুলিশকেই খেতে হচ্ছে মার কিংবা গণপিটুনি। আর এমতাবস্থায় জাতীয় স্বার্থে বড় বড় জাতীয় রাঘব বোয়াল রা পার পেয়ে যায়, সরাসরি ওপেন চাঁদাবাজি করে অনেক ছোট বড় সাংবাদিক নামের "হলুদ সাংবাদিক"ও পার পেয়ে যায়, সেখানে কেবল চুন থেকে পান খসলেই খেসারত দিতে হবে শুধু মাত্র পুলিশ কেই এই প্রশ্ন আজ শুধু পুলিশের নয়, এ প্রশ্ন আজ দানা বেধেছে দেশের প্রতিটি বিবেকবান সুশীল সমাজে।
বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে চলা এই,সিন্ডিকেট এর বিষয়ে আরও তথ্য প্রতিবেদন নিয়ে নির্মিত দুই পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন দেখবেন আগামী পর্বে।