সারাদেশে চলমান মিথ্যা প্রোপাগান্ডার এবারের টার্গেট বগুড়া শেরপুর থানায় সদ্য যোগদানকৃত, ওসি মইনুদ্দিন।
পুলিশের বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা সংবাদ অপপ্রচার সিন্ডিকেট নিয়ে করা প্রতিবেদন এর উপর ভিত্তি করে দেখুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসানের ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : আইনের সঠিক প্রয়োগ সঠিকসময়ে না হওয়ার মাশুল গুনছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। চব্বিশ এর ৫ ই আগস্ট এদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে কিন্তু এখনো মুক্ত হতে পারেনি ফ্যাসিবাদের শিকড় থেকে, ফ্যাসিবাদের ছায়া থেকে।
৪৭' এ বৃটিশরা যেমন এ উপমহাদেশ ছেড়ে যাওয়ার সময় হিন্দু মুসলিম দের বিভাজন করে ভারত পাকিস্তান নামক বিভক্তি করে গিয়েছিল, তেমনি ফ্যাসিস্টরাও দেশের গুরুতপুর্ন বাহিনী টিকে তথা পুলিশ বাহিনী কে করে গেছে বিভাজন। এদেশে কখনো এমন অসুস্থ রাজনীতির ধারা ছিলনা। প্রজাতন্ত্রে একটি গুরুতপুর্ন বাহিনী এই পুলিশ জন্মের পর থেকেই বারবার ব্যবহার ও অপব্যবহার হয়ে এসেছে সিংহাসন রক্ষার তাবেদার হিসেবে। কখনো " গোপালগঞ্জ " বা কখনো " বগুড়া " টাইটেল এ আবদ্ধ হয়ে নস্ট করেছে ভাবমুর্তি। তবে ফ্যাসিবাদের দোসর এই শব্দ টা ২৪ পরেই যোগ হয়েছে। আর এবার এই সিন্ডিকেট এর আরেক টার্গেট এ পরিনত হয়েছে বগুড়া শেরপুর থানায় সদ্য যোগদানকারী অফিসার ইনচার্জ ওসি মইনুদ্দিন।
এই প্রতিবেদক মাহবুব হাসান অনুসন্ধান করে স্পষ্ট খুজে পেয়েছে, মিথ্যা ফেইক ডিও লেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে চালানো হচ্ছে নির্মম প্রোপাগান্ডা। অথচ সরেজমিনে দেখা গেছে ওসি মইনুদ্দিন শুধুমাত্র ২০২০ সালেই শুধু রাজশাহী ওই অন্চলে কর্মরত ছিল আর ডিও লেটারে যে এমপির ভুয়া স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে সেই এমপি রাজশাহী বাগমারা থেকে নির্বাচিত হয়েছিল শুধুমাত্র ২০২৪ এ
তাই এত তথ্য অসংগতি থাকার পরও এ ধরনের সিন্ডিকেট কোনরকম ভয়ভীতি ছাড়াই অবাধে এসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দিচ্ছে শুধু এ কারনে যে এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ তো দুরের কথা শব্দ করারও কোন ব্যাক্তি নেই সরকারের কোন বিভাগে। অথচ অত্যন্ত দূ:খজনক যে, ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদানকারীকে গ্রেপ্তার কিংবা তার বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করতে ১ ঘণ্টা সময়ও লাগেনা এদেশে, ২৪ এর আগে দেখেছি " তথাকথিত জাতির পিতা " নিয়েও বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে নেয়া হতো রাষ্ট্রীয়ভাবে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ, সেলুন থেকে নাপিতের কাজ করে উঠে আসা আজকের কিছু " ভিআইপি সাংবাদিকের " নামেও উল্টোপাল্টা কিছু লেখার সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায় মানববন্দ্বন কিংবা জরুরি এ্যাকশন। অথচ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত এই পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলার মত নেই কোন মাধ্যম। পুলিশ এসোসিয়েশন নামক একটা সংস্থা আছে দেশে তবে দূ;খজনক যে এই এসোসিয়েশন শুধু তেলের বাটি হাতে নিয়েই বসে আছে, কখন তেল লাগাতে হবে বা কখন " উর্ধতন " রা লিখে দিবে আর সেই লেখাটাই মিডিয়ার সামনে এসে আবৃতি করবে ছোটবেলার সেই কবিতার মত " হাটি্টমাটিম টিম তারা,মাঠে পারে ডিম তাদের খাড়া দুটো শিং তারা হাটি্টমাটিম টিম "
সত্যি আজ আমরা সাংবাদিকরাও হয়ে যাচ্ছি সেই হাটি্টমাটিম টিম, যাদের শিং আছে কিন্তু গুতো দেয়ার শক্তি নেই, কারন আজ আমরা প্রত্যকেই সেই মান্ডার মালিশ তেল নিয়ে বসে আছি কখনো গোপালী বা কখনো বগুড়া সিন্ডিকেট এর পায়ে তেল মালিশ করতে।
চলবে সঠিক তথ্যের অনুসন্ধানের মাহবুব হাসান স্বাধীন।