খুলনা নগরী কি শান্তির, নাকি আতঙ্কের? খুন-ছিনতাইয়ের সঙ্গে বাড়ছে মাদকের ভয়াবহতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা :
খুলনা নগরী কি সত্যিই শান্তির নগরী, নাকি ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে আতঙ্কের নগরীতে—এ প্রশ্ন এখন নগরবাসীর মুখে মুখে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খুন, ছিনতাই, চুরি, অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা এবং মাদকের বিস্তার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অপরাধ দমনে প্রশাসনের আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
নগরীর ব্যস্ত সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি, বাজার, আবাসিক এলাকা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নানা ধরনের অপরাধের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় গলার চেইন, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।
এর পাশাপাশি নগরীতে মাদকের বিস্তারও বড় ধরনের সামাজিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা তরুণ সমাজকে বিপথে ঠেলে দেওয়ার পাশাপাশি অপরাধপ্রবণতা বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
নগরবাসীর দাবি, শুধু ছিনতাইকারী বা চোর ধরলেই হবে না—মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও বিক্রয়চক্রের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ছোটখাটো মাদক কারবারিদের আটকের পাশাপাশি মাদকের বড় সরবরাহকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
সচেতন মহল মনে করছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ একসঙ্গে চালাতে হবে।
এক্ষেত্রে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সমন্বিত ও জোরালো ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশ�