খুলনা মেডিকেলের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগে রোগীর চাপ, সীমিত এন্ডোস্কপি-কলোনোস্কপিতে বাড়ছে ভোগান্তি
খুলনা প্রতিনিধি : মোঃ রফিকুল ইসলাম
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে রোগীর চাপ দিন দিন বাড়লেও সে তুলনায় এন্ডোস্কপি ও কলোনোস্কপি পরীক্ষার সুযোগ সীমিত। ফলে দীর্ঘ সিরিয়ালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। পাশাপাশি অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন ওয়ার্ডে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীরাও।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে তিন দিন এন্ডোস্কপি করা হয় এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ জন রোগীর পরীক্ষা সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে সপ্তাহে দুই দিন কলোনোস্কপি করা হয়, যেখানে প্রতিদিন মাত্র দুজন রোগীর পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে।
কিন্তু বর্তমানে এন্ডোস্কপি ও কলোনোস্কপির জন্য নির্ধারিত সংখ্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগীর সিরিয়াল রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে একজন রোগীকে পরীক্ষার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের দীর্ঘ অপেক্ষা তাদের শারীরিক ও মানসিক দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, পরীক্ষা করানোর জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হওয়ায় অনেকেই উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত পরীক্ষা সম্পন্ন না হলে রোগ নির্ণয় ও পরবর্তী চিকিৎসা শুরুতেও বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও পরীক্ষার সক্ষমতার মধ্যে অতিরিক্ত রোগী সামলাতে গিয়ে তাদের নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনায় হিমশি