
হত্যাসহ ২২ মামলার আসামী কামাল ও তার বাহিনী
ডিসিকে শুভেচ্ছা জানালে সর্বত্র সমালোচনার ঝড়.
দৈনিক দেশের নিউজ, দৈনিক দেশের নিউজ দেখুন ওয়েবসাইট ও অনলাইনে সহ ই-পেপার পএিকা নিউজ দেখুন সঠিক তথ্যের অনুসন্ধানের সঠিক নিউজ,
বিশেষ প্রতিনিধি- নারায়ণগঞ্জের সদ্য যোগদানকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবিরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলাসহ ২২ মামলার এজহারভূক্ত আসামী কামাল প্রধান ও তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা। ফুল দেওয়ার সময় প্রতারক কামালকে বিমষ্য দেখা গেলেও ডিসির সাথে তোলা ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহল ক্ষোভে ফুসে উঠেছে এবং সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে। সচেতন মহল মনে করছে ডিসিকে বিতর্কীত করতে এই চাঁদাবাজ প্রতারক চক্র এ ধরনের কর্মকান্ড করেছে।
চিহ্নিত অপরাধী নারায়ণগঞ্জ মহানগর এলডিপির সভাপতি পরিচয়দানকারী একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী কামাল প্রধান, হত্যা চাঁদাবাজীসহ একাধিক মামলার আসামী সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ মোক্তার হোসেন, প্রতারণা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজী মামলার আসামী সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, চিহ্নিত প্রতারক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রিপনসহ এই বাহিনীর অন্যান্য সন্ত্রাসীরা গত ২৬শে নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রবেশ করে লেবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) পরিচয়ে সদ্যযোগদানকারী ডিসি রায়হান কবিরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবি তুলে এবং সেই ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে নিজেদেরকে ডিসির আস্থাভাজন হিসেবে আখ্যায়িত করে। এছাড়াও এই ছবিটি দিয়ে বিভিন্ন মহলে এবং কামাল ও তার বাহিনীর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের হোয়াটসাআপ ও ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে হুমকি ধামকি দিচ্ছে এবং বলে বেড়াচ্ছে যে, এখন থেকে ওদের আর কেউ কিছুই করতে পারবেনা, ডিসি এখন তাদের পকেটে। যদিও ডিসির সাথে ছবি তোলার সময় কামালকে আতঙ্কগ্রস্থ ও বিমষ্য দেখা যাচ্ছিল। নারায়ণগঞ্জের গডফাদার সাবেক এমপি শামিম ওসমানের দোসর কামাল প্রধান ও শ্রমিক লীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আলমগীর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলার অন্যতম আসামী। নারায়ণগঞ্জবাসীর সচেতন মহল মনে করছে বহুবার গণধোলাই খাওয়া এবং জেলাখাটা ডান্ডাবেড়ীপ্রাপ্ত একজন দাগী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী কিভাবে প্রশাসনের নাকের ডকায় প্রবেশ করে ডিসিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানাতে পারে? এভাবে যদি চোর, ডাকাত, বদমাশ, ভুয়া স্ট্যাম্প তৈরি, জাল দলিল সৃজনকারী, ভূয়া অঙ্গীকারনামা তৈরী, চেক জালিয়াতী, ব্ল্যাক মেইলিং, নারী কেলেঙ্কারী, মামলা বাণিজ্য, হত্যাকারী, রাষ্ট্র বিরোধী নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত অপরাধিরা প্রশাসনের সাথে ওঠা বসা শুরু করে তাহলে আইনের শাসন প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে পড়বে। এই চাঁদাবাজ ও প্রতারক চক্র নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করে যাযাবরের মতো বসবাস করে এবং ফেসবুক পেজ ও ভূয়া আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে চরিত্র হরন করে মানহানী করছে। কামাল প্রধান ও তার বাহিনীর এহেন কর্মকান্ডে নারায়ণগঞ্জের মানুষ অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী কামাল প্রধান ও তার বাহিনীর সদস্যদের প্রশাসন দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে।