1. live@www.dainikdeshernews.com : দৈনিক দেশের খবর : দৈনিক দেশের খবর দৈনিক দেশের খবর
  2. info@www.dainikdeshernews.com : দৈনিক দেশের খবর। :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রায়গঞ্জ পৌর এলাকায় সংঘর্ষে দুজন আহত, একজনকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার Mostbet ilə Fantaziya Turnirlərində Sürətli Komanda Qurma Taktikası – Mostbet Fantaziya Liqalarına Necə Başlamaq Olar ব্রেকিং নিউজ! দৈনিক দেশের নিউজে আপনাদের স্বাগতম। দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আটকের পর এক মহিলা পুলিশ কর্মকর্তার সাথে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়ান তিনি। এসময় ক্ষুব্ধ হয়ে বেগম জিয়া বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকারের সংকট: জুন ২০২৬-ভাঙা আশার আয়নায় রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি। মাদারীপুরে হত্যা মামলার পলাতক আসামির সাথে একই মন্চে ওসি আবুল কালাম আজাদ। এসপির নিকট দায় এড়িয়ে উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ। Mostbet Platformasının İdman Mərcləri Mütəxəssisi Gözüylə Dərin Təhlili – Mostbet Nədir və Rəqiblərdən Fərqi Nədir? Mostbet Platformasında Fantaziya Turnirləri – Mostbet Fantaziya Liqalarında Komanda Qurmağın Üç Qaydası Glory casino Canlı Diler Ekosistemində Yeni Başlayanların Sakit Səyahəti – Glory casino Canlı Diler Oyunlarına Hazırlıq Glory casino Platformunda Əmsal Analizi və Real Dəyər – Glory casino Qeydiyyatı və İlk Addımlar 1win platforması – 1win qeydiyyatı – Sadəlikdə güc var – 1win girişi – İntizam olmadan heç nə – key points, tips, and quick explanations

চায়ের দোকান থেকে ‘দ্রুত বিচার’: দায় কার, শাস্তি কার?

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

চায়ের দোকান থেকে ‘দ্রুত বিচার’: দায় কার, শাস্তি কার?
নিউজ -দৈনিক দেশের নিউজ, বিশেষ প্রতিনিধি-মাসুদ পারভেজ।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় একটি ছোট্ট চায়ের দোকান। দিনের শেষে যেখানে শ্রমজীবী মানুষ চায়ের কাপে ক্লান্তি ভোলেন, সেই দোকানই এক রাতে পরিণত হলো আইনি নাটকের মঞ্চে। আর সেই নাটকের প্রধান চরিত্র—অসহায় দোকানদার মোঃ রফিকুল ইসলাম। অভিযোগের ভাষা বলছে তিনি নাকি সংঘবদ্ধভাবে ত্রাস সৃষ্টি করেছেন, ছিনতাই করেছেন, টো-কৃত সিএনজি ছিনিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবের ফুটেজ যেন অন্য গল্প শোনায়—যেখানে তিনি ছিলেন না হামলাকারী, বরং ঘটনার বাইরের একজন সাধারণ মানুষ।

ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১০টা ২৫ মিনিট। একটি বন্ধ সিএনজি রাস্তা থেকে টেনে এনে দোকানের সামনে দাঁড় করানো হলো। একজন ব্যক্তি মোবাইলে কথা বলছেন, কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন। তর্ক থেকে হাতাহাতি, হাতাহাতি থেকে দোকানের ভেতরে ঢুকে মারামারি। দোকানের ভেতরে থাকা লোকজন তাদের বাইরে বের করে দেন। এরপর একজন দৌড়ে পালিয়ে যান, আরেকজন সিএনজি নিয়ে চলে যান।
দোকানদার তখনও দোকানেই—কোনো অস্ত্র নেই, কোনো সংঘবদ্ধতা নেই, শুধু একজন সাধারণ ব্যবসায়ী।

কিন্তু এখানেই গল্প শেষ নয়, বরং শুরু।
১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে ঘটনাস্থলে হাজির ট্রাফিক পুলিশের সদস্য, রেকার ড্রাইভার ও সেই পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি। এরপর দোকানদারের সাথে কথাবার্তা, দোকানের ভেতরে তাকে কৌশলে আটকে রাখা, এবং পরে বের করে এনে মারধর।
সবশেষে বাকলিয়া থানার গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো তাকে।

পরদিন আদালতে হাজির করা হলো—প্রধান আসামী হিসেবে।
অভিযোগ—তিনি নাকি গাড়ি “ধরে রাখেননি”।

এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
একজন চায়ের দোকানদারের দায়িত্ব কি এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা?
টো-কৃত গাড়ি পাহারা দেওয়া কি তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ?

ঘটনার বিষয়ে সার্জেন্ট এসএম রিয়াজুর রহমানের বক্তব্য
দোকানদারের “একটাই দোষ”, তিনি গাড়িটি নিজের হেফাজতে রাখেননি।
অর্থাৎ, পুলিশ সোর্সের তথ্য অনুযায়ী গাড়ি চলে যাচ্ছে—এই দায়ও দোকানদারের।

আরেকদিকে, টিআই আঃ সাইদ বাকার বলেন—
“ও চাইলে গাড়ি আটকাতে পারতো।”
প্রশ্ন হলো—একজন সাধারণ মানুষ কি আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর ভূমিকা নিতে বাধ্য?
যদি তিনি বাধা দিতে গিয়ে মারধরের শিকার হতেন, তখন দায় কে নিত?

১৩ দিন জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম।
তার দোকান—সংসারের একমাত্র আয়।
পাঁচ সদস্যের পরিবার, দুই ছোট কন্যা সন্তান।
জামিনে বেরিয়ে এখন তিনি শুধু ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
তার ভাষায়—
“আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।”

ঘটনার আরও একটি দিক রয়েছে—উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নীরবতা।
সাক্ষাৎকারের জন্য গেলে প্রথমে কথা বলতে অস্বীকৃতি। পরে শর্ত—মোবাইল ও ক্যামেরা বাইরে রাখতে হবে।
সত্যের সামনে যেন প্রযুক্তিও নিষিদ্ধ।
ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য নয়, শুধু নীরবতা।

এই ঘটনায় প্রশ্নের পর প্রশ্ন উঠে আসে—
একজন দোকানদার কি এখন পুলিশের দায়িত্ব পালন করবেন?
ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও দায় চাপানো কতটা যৌক্তিক?
সিসিটিভি ফুটেজের বাস্তবতা আর মামলার ভাষা—এতো পার্থক্য কেন?
দ্রুত বিচার আইন—নিরপরাধকে দ্রুত আসামী বানানোর হাতিয়ার হয়ে উঠছে কি?

এই পুরো ঘটনায় সবচেয়ে সহজ লক্ষ্য ছিলেন রফিকুল ইসলাম—
একজন দরিদ্র দোকানদার, যার পেছনে নেই কোনো প্রভাবশালী শক্তি, নেই আইনজীবীর বাহিনী, নেই পরিচয়।
তাই কি দায় চাপানো সহজ হলো?

সিএনজি হারানোর ঘটনা হয়তো ছোট, কিন্তু একজন মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে গেছে।
১৬ দিনের কারাবাস, দোকান বন্ধ, পরিবার অনিশ্চয়তায়—
এই ক্ষতির হিসাব কে দেবে?

শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই—
আইনের প্রয়োগ কি সত্যিই ন্যায়বিচারের জন্য,
নাকি দায় চাপানোর জন্য দরকার হয় একজন সহজ টার্গেট?

বাকলিয়ার সেই চায়ের দোকান আজও আছে, কিন্তু দোকানদারের চোখে আর আগের সেই স্বাভাবিকতা নেই।
চায়ের কাপে ধোঁয়া উঠলেও, তার মনে জমেছে অনিশ্চয়তার কুয়াশা।
এবিষয়ে আরও থাকছে ধারাবাহিক প্রতিবেদন দ্বিতীয় পর্বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট