
সততার সাথে চাকুরী করার খেসারত দিচ্ছে সিলেট মোগলাবাজার থানার নিরপরাধ “ওসি মনির সাহেব।
নেপথ্যে : চোরাইমাল এর ভাগবাটোয়ারা বন্ধ হওয়াতে ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত থানার একাধিক অসৎ কর্মকর্তা।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসানের তথ্যে দেখুন ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : সারাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা অপপ্রচারে এবারের নির্মমতার এবং রোষানলের শিকারের টার্গেট হয়েছেন সিলেট মোগলাবাজার থানার সৎ ও নিষ্ঠাবান পুলিশের পরিদর্শক অফিসার ইনচার্জ জনাব মনির হোসেন। সাহসিকতা ও সততার পুরষ্কার ” আইজি ব্যাজ ” প্রাপ্ত এই কর্মকর্তা আজ নিজেরই ডিপার্টমেন্ট এর কিছু স্বার্থলোভী অধীনস্থ কর্মকর্তার চরম রোষানলে পড়ে একপ্রকার হতাশ সেনাপতির মত ক্লান্তি নিয়ে দিন গুনছেন সম্মানজনক অবসর নামক বিদায়ঘন্টার। অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসানের তথ্যে উঠে এসেছে ঘটনার প্রকৃত নির্মম সত্য। জানা যায় আটককৃত চোরাই কম্বল এর গাড়ী থেকে থানার অর্থলোভী কর্মকর্তা এএসআই জয়নাল, ওসির সাবেক ড্রাইভার সুশান্ত সিন্ডিকেট চেয়েছিল ১০০ পিস কম্বল রেখে দিতে। তাদের এই অপচেষ্টা ওসি মনিরের সততার জন্য ভেস্তে যায়। সময়মত ডিউটি তে অনুপস্থিত, দায়িত্ব পালনে অবহেলা সহ চোরাচালানীদর থেকে ” মাসোয়ারা ” বাণিজ্য একপ্রকার বন্ধ হয়ে যাওয়াতে একাধিক এই কর্মকর্তা নানারকম প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে ওসি মনিরের বিরুদ্ধে। কারন একটাই বাস্তবতা হলো ওসি মনিরের মত সৎ অফিসার,রা আজকের যুগে পুরনো তামার পয়সার মতই অচল। যেখানে অনৈতিক সুবিধাভোগী ওসিদের জন্য নিয়োজিত গাড়ীর ড্রাইভার রা থাকে ফুরফুরে মেজাজে, সেখানে ” বর্তমানের সিঙঘাম ” খ্যাত মনিরের ড্রাইভার রা পরিবর্তন হয়েছে একাধিক বার। কারন একটাই জনাব মনির হোসেন এর সৎ অফিসাররা না খেয়ে থাকবেন তবুও আপোষ করবেন না অন্যায় কিংবা অবৈধ সিণ্ডিকেট এর সাথে। তার সাবেক ড্রাইভার সুশান্তে অভিযোগ যে ওসি নাকি তাকে ধর্ম নিয়ে জাত তুলে গালি দিয়েছে। অথচ এই প্রতিবেদক মাহবুব হাসান খুজে পেয়েছে অন্য গল্প। যুবলীগ এর ঝটিকা মিছিলের গোপন প্রস্তুতির খবর পেয়ে বিগত কিছুদিন আগে দ্রুত অভিযানের জন্য বের হয় ওসি মনির। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী দেরও অবহিত করেন ওসি সাহেব। অথচ ঠিক অভিযানের সময় ড্রাইভার সুশান্ত বলেন গাড়ির টায়ার লিক গতকাল থেকে। তখন স্বাভাবিক ভাবেই ওসি সাহেব তাকে বকাঝকার একপর্যায়ে বলেন ” সুশান্ত আপনি কি আমার অভিযান ঠেকাতেই এই পরিকল্পনা করেছিলেন “।
অথচ ড্রাইভার সুশান্ত এ বিষয়টি কে ” সাম্প্রদায়িক ” লেবাস পড়ানোর জন্য স্থানীয় এক সাংবাদিক কে ১০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠায় ওসির বিরুদ্ধে ” মৌলবাদী ” টাইটেল দিয়ে ” মুজিববাদী ” কায়েম করতে। কেননা সুশান্তের বিরুদ্ধেও যুবলীগের সাথে সম্পৃক্ততার তথ্যও উঠে,এসেছে যা পরবর্তী তে প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হবে। ঠিক তেমনি কনস্টেবল সাইফুল এর রাগ, দায়িত্বে অবহেলা করলেও ওসি,সাহেব রা কিছু বলতে পারবেনা। কেননা দায়িত্বে অবহেলার জন্য সাইফুল কে নোটিশ করেছেন ওসি সাহেব। প্রতিটি দূর্নীতিবাজ অফিসার এর জন্য তিনি পথের কাটা। তাই যেকোন মূল্যে হোক সরাতে হবে ওসি মনির হোসেন নামক সততার পোষাক পড়া এসমস্ত নীতিবান বাস্তবতা কে।
মাহবুব হাসানের দুই পর্বের ধারাবাহিক এই প্রতিবেদনে দ্বিতীয় পর্ব দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন।