
এসআই মোবারক
পল্লবী থানা।
মিরপুর পল্লবী থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা কারীরা এখন টার্গেটে পরিনত করেছে বগুড়ার কৃতি সন্তান পল্লবী থানার এসআই জনাব মোবারক কে নিয়ে।
আর নেপথ্যে রয়েছে “গোপালী সিন্ডিকেট ” এর পাশাপাশি জাতীয় প্রেসক্লাব এর সাবেক কলংকিত পলাতক সাংবাদিক মজুমদার বাহিনীর অন্যতম হোতা সাংবাদিক ফাহাদ।
মাহবুব হাসানের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখুন ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : প্রতিদিনই মিডিয়ার কোন না কোন পোর্টাল ঘেকে গত ২৪ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের কোন না কোন কর্মকর্তা কে নিয়ে চলছে সুপরিকল্পিত চরম মিথ্যাচার। যা কখনোই এদেশের ইতিহাসে ছিলনা। পরাজিত ফ্যাসিবাদের অতৃপ্ত প্রেতাত্মা রা এখনো সগৌরবে বহাল তবিয়তে আছে সচিবালয় থেকে শুরু করে প্রশাসন এমমকি খোদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীতেও রয়েছে একাধিক অশুভ শক্তির প্রশাসনিক ” আমলাতান্ত্রিক কামলা রা”
আর তাদেরই নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নে এবার টার্গেটে পরিনত করেছে মিরপুর পল্লবী থানার সৎ এবং নিষ্ঠাবান অফিসার বগুড়ার কৃতি সন্তান এসআই মোবারক। এই প্রতিবেদক সরেজমিন অনুসন্ধান করে খুজে পেয়েছে যে তথ্য তা হয়তো পুরোটা জানা ছিলনা চট্টগ্রামের প্রোপাগান্ডা সিন্ডিকেট এর লালখান বাজারের সাংবাদিক সমাজের কলংক কুখ্যাত ফয়সালের। এই সেই ফয়সাল যে কিনা মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকারে পরিনত করেছিল বর্তমানে বরিশাল রেন্জের উপ কমিশনার জনাব হান্নান থেকে শুরু করে পুলিশের খোদ মহাপরিদর্শক মহোদয় কে। আর ফয়সালের থেকে ঢাকার পল্টন ও কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়াতে অবস্থিত ” অনলাইন মিডিয়ার নাজায়েজ উত্তরাধিকারী তথা প্রতিদিনের সকাল, দেশের টিভি সহ প্রায় শতাধিক নামমাত্র মিডিয়া। আর এই অপশক্তিদের সর্বোচ্চ মদদ দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশেরই অভ্যন্তরের কিছু তেলমারা ” উর্ধতন ” নামক তথাকথিত কতৃপক্ষ রা। জনাব মোবারক এর জন্মস্থান বগুড়া। তার পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই বিগত আওয়ামী আমলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছে শুধুমাত্র বগুড়ার সন্তান হওয়াতে। ২০২৪ এর ছাত্র হত্যা মামলায় তৎকালীন পল্লবী থানার ওসি অপুর্ব হাসানের ( ৬ নং আসামী) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন এই এসআই মোবারক। অথচ প্রোপাগান্ডা কারীরা পলাতক অপুর্বের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত একটি লাইনও লিখেনি। বরং মানসিক ও সামাজিক ভাবে অস্থির করতে চাইছে মোবারক এর মত পুলিশের সৎ ও নিষ্ঠাবান অফিসারদের। বাংলাদেশ পুলিশ জন্মের পর থেকেই ব্যবহার বা অপব্যবহার হয়ে এসেছে বিগত প্রায় প্রতিটি সরকারের দ্বারা কখনো” গোপালগঞ্জ ” বা কখনো ” বগুড়ার ” ঐতিহ্যবাহী তেল দিয়ে মালিশ করা হয়েছে বাহিনীর হ্দপিন্ডকে। আর আজ যখন দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের অবসান শেষে একটু আনন্দের সাথে ডিউটি করছে যে সকল কর্মকর্তা রা ঠিক তখনি তাদের কে মিথ্যা অপপ্রচারের নিরীহ শিকারে পরিনত করে নিক্ষেপ করা হচ্ছে অপমানের আস্তাকুড়ে।
এই সিন্ডিকেট এর নির্মম নৃশংসতার শিকারে ইতিমধ্যেই অনেক অফিসার বরন করেছে ” বাধ্যতামূলক অবসর” নামক অপমানের ছুটির ঘন্টা ” কেউবা এখনো ” ক্লোজ ” নামের পালকী চড়ে নীরবে দিনপার করছে সংযুক্তি আইনের পুলিশ লাইনে আর মোবারক এর মতন অনেকেই নীরবে ফেলে চলেছে চোখের জল। যা কিনা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বা জাতির বিবেকখ্যাত আমাদের সাংবাদিক সমাজকে করছে কলংকিত এবং কলুষিত। তাই মিথ্যা অপপ্রচার কারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজর বৃদ্ধি করে অতিশীঘ্র এদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তা নাহলে রাষ্ট্রের এই গুরুতপুর্ন বাহিনীকে মানসিক ভাবে ভেঙে দেওয়া মানে জাতীয় বিশৃঙ্খলার পথ তৈরী করার সমতুল্য।
অন্যথায় জাতির পরবর্তী প্রজন্ম কেও আজীবন মাশুল দিতে হবে যদি আজকে আমরা মোবারক এর মতন দেশের সৎ অফিসারদের পাশে না দাড়াই।
বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার কারীদের মুখ ও মুখোশ উন্মোচিত হবে আগামী পর্বে।