
সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা প্রোপাগান্ডার ঘৃণিত ষড়যন্ত্রের শিকার রাজশাহী কারাগার এর নিরপরাধ কারারক্ষী জহুরুল।
নেপথ্যে : আভ্যন্তরীণ অন্তর্দ্বন্দ এবং চিহ্নিত সিন্ডিকেট এর সদস্যরা
মাহবুব হাসানের প্রতিবেদনে দেখুন ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : সারাদেশে পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে চলমান মিথ্যা অপপ্রচার এর এবারের শিকারে পরিনত হয়েছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার এর একজন সহজ সরল নিরপরাধ কারারক্ষী জহিরুল। জনৈক গোলাম মোস্তফা নামধারী যে ব্যাক্তি জহুরুল এর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি সহ মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে তার মানহানি করার অপচেষ্টা করছেন, সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে বেচারা কারারক্ষী জহুরুল তাকে চেনেনই না। এখন প্রশ্ন, যে মানুষ টি তার বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা অপপ্রচার বা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা সম্পর্কে কিছুই জানেনা, সেখানে ” হলুদ সাংবাদিক ” নামের কিছু কুলাঙ্গার সাংবাদিকেরা সামান্য কিছু টাকা পয়সার লোভে দিনেদুপুরে একজন নিরপরাধ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছে ঢালাও মিথ্যা অপবাদ। দেশের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত গুরুতপুর্ন এই বাহিনীকে অবিলম্বে সকল ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার থেকে মুক্ত না করা গেলে তা হবে জাতির জন্য এক ভয়ংকর আত্মঘাতি হুমকিস্বরুপ। তাই একজন সচেতন নাগরিক এবং জাতির বিবেকখ্যাত সভ্য সাংবাদিক সমাজের সরকারের প্রতি বিশেষ আহবান। অতি দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে অবিলম্বে এসমস্ত ভুয়া বানোয়াট মিথ্যা প্রোপাগান্ডার মুল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে রাষ্ট্রের এই গুরুতপুর্ন বাহিনীকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য। প্রতিষ্ঠা বা জন্মের পর থেকেই প্রায় প্রতিটি সরকারই বাংলাদেশ পুলিশ নামক এই জনগনের সেবক বাহিনীটিকে ব্যবহার এবং অপব্যবহার করে এসেছে শুধুমাত্র সিংহাসন রক্ষার জন্য। কখনো ” গোপালগঞ্জ বা কখনো ” বগুড়া” সিন্ডিকেট এর,টাইটেল এ বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে রাষ্ট্রের গুরুতপুর্ন এই বাহিনীকে। যা জাতির জন্য নি:সন্দেহে কলংকিত অধ্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়।