
মিজান ( চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী)
নিখুঁত পরিকল্পনায় সাজানো মাস্টারপ্ল্যানে ফাসানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনী কে।
নেপথ্যে: মাদক গডফাদার এবং পুলিশের অভ্যন্তরের একটি সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট।
নিউজ -দৈনিক দেশের নিউজ এর বিশেষ প্রতিবেদনে- মাহবুব হাসানের ডেস্ক রিপোর্ট।
বিস্তারিত : সারাদেশে চলমান মিথ্যা প্রোপাগান্ডার আরেক নাটকীয় প্রোপাগান্ডার শিকার হয়েছে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই আরিফ, এএসআই সহিদুল সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা। জানা যায় এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ওরফে ডিলার মিজান যার বিরুদ্ধে প্রায় ডজনখানেক মাদক মামলা রয়েছে। শাহরাস্তি থানার সাহসী কর্মকর্তা এসআই আরিফের নেতৃত্বে কিছুদিন আগে গ্রেফতার হয় মিজান, পরবর্তী তে জামিনে বের হয়ে গতকাল তার সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হোয়াটসআপ কলে এসআই আরিফ, এএসআই সহিদুল সহ থানার একাধিক কর্মকর্তার ভয়েস কল আদানপ্রদানের মাধ্যমে দেশবাসী কে বোঝাতে চেয়েছে যে ওই কর্মকর্তা রা,তার নিকট থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা নেয়। তবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মাহবুব হাসানের তথ্যে উঠে এসেছে ভয়ংকর সত্যি। এআই দিয়ে সাজানো হয়েছিল ওই কলরেকর্ড যা Rumor Fact Scan এ চেক করার পর সামনে এসেছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের প্রোপাগান্ডা শুধু ওই কর্মকর্তা নয় পুরো বাহিনীকে ফেলে দিচ্ছে হুমকির মুখে। আর এ ধরনের সিন্ডিকেট এর নিউজ সাধারণত যে সকল অনলাইন পোর্টালে নিউজ আকারে প্রচার হচ্ছে, সরেজমিনে দেখা গেছে ওই হলুদ মিডিয়া” গুলোর বেশিরভাগেরই নেই কোন নিবন্ধন, নেই কোন অফিসের ঠিকানা।
তাই সরকারের প্রতি বিবেকবান সাংবাদিক সংস্থা গুলোর আহবান। জাতীয় গোয়েন্দা নজরদারী দ্রুত জোরদারের মাধ্যমে এসকল সিন্ডিকেট হোতাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জন্য। অন্যথায় রাষ্ট্রের এই গুরুতপুর্ন বাহিনীকে অস্থিতিশীল এর মাধ্যমে দেশে ঘটতে পারে মারাত্মক নৈরাজ্যতা।